অর্থ-বাণিজ্য
ফাইল ছবি।
আমদানি শুরুর পর থেকে পাইকারি বাজারে প্রতিদিনই কমছে আলুর দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিটা নিয়মিত হলে স্বাভাবিক হয়ে আসবে আলুর দাম। তবে ক্যাবের বক্তব্য, মধ্যস্বত্বভোগী আর বাজার সিন্ডিকেট রুখতে সব পণ্যেরই আমদানির অনুমতি দিতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যই সত্য; সর্বসাকুল্যে এক লাখ টন আলুও আমদানি হয়নি। এরই মধ্যে কমতে শুরু করেছে দাম।
দাম যেহেতু পড়তির দিকে। সেহেতু বস্তা বস্তা হিমাগারের আলুর এখন ঠাঁই হচ্ছে বাজারে। পাইকারিতে বিক্রিও হচ্ছে নিচে ৩২ উপরে ৩৬ টাকা কেজি।
কঞ্জুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান জানান, উচ্চ আমদানি শুল্ক কমাতে হবে এবং সব পণ্যের আমদানি উন্মুক্ত করতে হবে। তবেই মধ্যস্বত্বভোগী আর সিন্ডিকেটের হাত থেকে মুক্তি মিলবে।
গেলো মাস খানেক ধরেই খুচরা বাজারে হু হু করে বেড়েছে আলুর দাম। টিসিবির তথ্য বলছে, এক বছরের মধ্যে দাম বৃদ্ধির হার ৬১ দশমিক ১১ শতাংশ। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারিতেই দাম বেশি। অতি ফলনের পরও এখন সরবরাহ কমের অজুহাতে আলুর দাম বাড়ছিল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দর নির্ধারণের পরও ইচ্ছামতো দামে আলু বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এমনকি মজুতদাররা হিমাগার থেকে বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। পরে বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরুহিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু
এদিকে, আমদানি শুরুর পর কমতে শুরু করেছে ডিমের দামও। সেইসাথে বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ছে। ফলে ধীরে ধীরে দামও চলে আসছে নাগালের মধ্যে।
Leave a Reply